জনপ্রিয়তা কমিয়ে দেয়—আরো যেসব জিনিস -০২
আরো কিছু আচরণ/জিনিস দিচ্ছি যেগুলো অনেক সময় ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা কমিয়ে দেয়, মানুষ দূরে সরিয়ে নেয়।
জনপ্রিয়তা কমিয়ে দেয়—আরো যেসব জিনিস
-
কথায়–ব্যবহারে এক না হওয়া
-
মুখে একরকম, কাজে আরেকরকম
-
মানুষ কনফিউজড ও অবিশ্বাসী হয়ে যায়।
-
সবসময় “আমি ঠিক, তুমি ভুল” ভাব
-
তর্ক জিততেই হবে
-
অন্যের মতামতকে হালকা করা।
-
অতিরিক্ত আত্মদয়া দেখানো
-
বারবার নিজের কষ্ট/সমস্যা নিয়ে কান্নাকাটি
-
সব কথা নিজের ট্রাজেডিতে ফিরিয়ে আনা।
-
হাসি–তামাশায় অন্যকে অপমান করা
-
“মজা করলাম” বলে কাউকে ছোট করা
-
মানুষ ভেতরে ভেতরে আহত হয়।
-
অন্যের সুখ/সাকসেসে খোঁচা দেওয়া
-
“এটা তো কিছুই না”
-
“এটা তো ভাগ্যে হয়েছে”—এমন কথা।
-
সবসময় সন্দেহ করা / ট্রাস্ট না করা
-
ছোট বিষয়েও সন্দেহ
-
মানুষ মনে করে আপনি toxic/অস্থির।
-
বেশি জ্ঞান ঝাড়া
-
কথার মাঝখানে লম্বা লেকচার
-
সব বিষয়ে নিজের এক্সপার্ট ভাব।
-
কথায় রূঢ়তা/হার্ড টোন
-
সত্য বলার অজুহাতে খারাপভাবে বলা
-
“সরি, আমি সোজা কথা বলি” টাইপ যুক্তি।
-
অতিরিক্ত প্যাসিভ–এগ্রেসিভ আচরণ
-
সরাসরি না বলে খোঁচা
-
ইঙ্গিতে অপমান বা অসন্তুষ্টি।
-
অন্যের সমস্যা নিয়ে “এক-আপ” করা
-
কেউ বলল “আমি ক্লান্ত” → আপনি বললেন “আমি তার চেয়েও বেশি ক্লান্ত”
-
মানুষ মনে করে আপনি তাদের অনুভূতি মাপছেন।
-
সবার সামনে কাউকে কনফ্রন্ট/শাসানো
-
পাবলিক অপমান
-
ব্যক্তিগত কথা লোকের সামনে বলা।
-
সবার থেকে সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা
-
ধার করে ফেরত না দেওয়া
-
বারবার ফ্রি সুবিধা চাওয়া।
-
নিজের ভুলের দায় না নেওয়া
-
সব দোষ অন্যের
-
“আমি তো এমনই”—এই ঢাল।
-
অতিরিক্ত নাক গলানো
-
অন্যের জীবন/ডিসিশনে অযথা হস্তক্ষেপ
-
পরামর্শ না চাইলে জোর করা।
-
মানুষকে “ইউজ” করা vibe দেওয়া
-
যোগাযোগটা শুধু কাজ/উপকারের সময়
-
প্রয়োজন শেষ হলে হাওয়া।
-
সবসময় ব্যস্ততার অজুহাত
-
কখনোই সময় নেই
-
রেসপন্স/কেয়ার শূন্য।
-
কাউকে অকারণে “ট্যাগ” লাগানো
-
“তুমি এমনই” বলে ফিক্সড ধারণা দেয়া
-
মানুষ আটকে যায়, বিরক্ত হয়।
-
মাঝে মাঝে অতিরিক্ত “শো অফ”
-
টাকা, স্ট্যাটাস, কানেকশন দেখানো
-
মানুষ নিজেকে ছোট মনে করে বা বিরক্ত হয়।
-
বাড়াবাড়ি রসিকতা/সার্কাজম
-
সব কথায় খোঁচা
-
কেউ সিরিয়াস হলে আপনি মজা করেন।
-
নিজের ইমোশনাল বোঝা সবার উপর চাপানো
-
রাগ, দুঃখ, হতাশা—সব অন্যদের ওপর ঝাড়া
-
মানুষ ক্লান্ত হয়ে দূরে যায়।
ছোট্ট “চেকলিস্ট” (নিজেকে ধরার জন্য)
এগুলোর কোনটা যদি আপনার মধ্যে ২–৩টা থেকেও থাকে, ধীরে ধীরে প্র্যাকটিসে বদলানো যায়:
-
আমি কি বেশি কথা বলি, কম শুনি?
-
আমি কি কাউকে ছোট করে মজা করি?
-
আমার কথায়–কাজে কি মিল আছে?
-
আমি কি অকারণে নেগেটিভ হই?
।
Comments
Post a Comment